School Timing Changed: চৈত্র মাসেই তাপমাত্রার পারদ যেভাবে চড়ছে তাতে নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। বঙ্গের পশ্চিমের জেলাগুলিতে গরমের দাবদাহতা অনেকটাই বেশি। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া থেকে শুরু করে অন্যান্য পশ্চিমী জেলাগুলির পারদ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুব দরকার ছাড়া বেলার দিকে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন না কেউই। তবে এই গরমেও স্কুলে অব্যাহত রয়েছে পঠনপাঠন। অন্যদিকে এই গরমে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য নিয়েও উদবিঘ্ন প্রশাসন থেকে শুরু করে অভিভাবকরা। তবে এবার চিন্তার দিন শেষ হতে চলেছে অভিভাবকদের। কারণ স্কুলের সময়সীমা (School Timing Changed) আরও সকালে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বড় সিদ্ধান্ত প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিলের
গরমের এই তীব্রতায় ছোট ছোট পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য মর্নিং স্কুল চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাঁকুড়া জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় কাউন্সিল। এবার থেকে ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা অবধি স্কুল চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত শিশুদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত।
যে হারে তাপমাত্রার পারদ চড়ছে তাতে ছোট থেকে বড় সকলেই অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও পরামর্শ দিচ্ছেন, খুব দরকার না পড়লে সকাল ১১ টার পর বাড়ি থেকে না বেরনোর। তবে যাদের অফিস, স্কুল, কলেজ আছে তাদের শিডিউল অনুযায়ী বেরোতে হবেই। তবে এবার স্কুল পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের ওপর যাতে তেমন কোনও প্রভাব না পড়ে সেজন্য ভোরবেলা থেকে স্কুল শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাঁকুড়ার বিভিন্ন স্কুলে।
নয়া নির্দেশিকা জারি
প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলগুলি ছাড়াও নিম্ন বুনিয়াদি স্কুলের পড়ুয়াদের কথা চিন্তা করে সকালে স্কুল চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও নিম্ন বুনিয়াদি মিলিয়ে জেলায় মোট ৩৫৬৮টি বিদ্যালয়ের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় কাউন্সিলের তরফে।
বাঁকুড়া মিশন বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনেই প্রতিবার এপ্রিল-মে-জুন মাসে সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকালে ক্লাস হবে। ১ এপ্রিল স্কুল ছুটি ছিল। ২ এপ্রিল থেকে সেই মতোই সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত স্কুল চলবে।’
আরও পড়ুন: SSC Scam: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরি হারালেন ২৬,০০০ শিক্ষক!