Ekchokho.com 🇮🇳

New Traffic Rules: ভারতে ট্রাফিক আইন আরও কঠোর হতে চলেছে: জানুন নতুন নিয়ম!

Published on:

New Traffic Rules
WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

New Traffic Rules: সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং এর অন্যতম প্রধান কারণ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন। এই সমস্যার সমাধানে ভারত সরকার বেশ কিছু নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর হতে চলেছে। কঠোর নতুন ট্রাফিক নিয়মের আওতায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলের মতো শাস্তিও কার্যকর হতে পারে।

জরিমানা না দিলে লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত

সরকারি সূত্র অনুযায়ী, যদি কোনো গাড়ির চালক ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা বা চালান পান এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পরিশোধ না করেন, তবে তার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হবে। যদি চালান তিন মাসের বেশি সময় ধরে বকেয়া থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার লাইসেন্স সম্পূর্ণ বাতিল করে দিতে পারে। তাই এখন থেকে গাড়ি চালানোর সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।

নতুন নিয়মে কী পরিবর্তন আসছে?

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো চালক এক বছরে তিন বা তার বেশি বার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করেন, তবে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হবে। এর ফলে, ওই সময়ের মধ্যে তিনি কোনোভাবেই গাড়ি চালাতে পারবেন না।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রাফিক নিয়ম যথাযথভাবে মানার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হবে। ই-চালান ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে জরিমানা দ্রুত পরিশোধ করা হয়।

ই-চালান সিস্টেমে পরিবর্তন

বর্তমানে ই-চালান ব্যবস্থার মাধ্যমে মাত্র ৪০% জরিমানা আদায় করা সম্ভব হচ্ছে, যা সরকার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষত, দিল্লিতে চালান আদায়ের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকায় সেখানে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে জরিমানার হার বাড়ানো হবে।

চালকদের জন্য মাসিক অ্যালার্ম ব্যবস্থা

চালান বকেয়া থাকলে প্রতি মাসে গাড়ির মালিকদের ফোনে স্মার্ট অ্যালার্ম পাঠানো হবে। এ ছাড়াও, সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা সরাসরি নজরদারির আওতায় রাখা হবে।

নতুন AI-চালিত ট্রাফিক প্রযুক্তি

দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে AI-চালিত 4D রাডার-ইন্টারসেপ্টর যুক্ত করেছে। এই প্রযুক্তি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, সিটবেল্ট না পরা, মোবাইল ফোন ব্যবহারের মতো নিয়ম ভঙ্গকারী কার্যকলাপ সনাক্ত করতে সক্ষম। অত্যাধুনিক এই পদ্ধতির মাধ্যমে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিয়ম লঙ্ঘনকারী চালকদের চিহ্নিত করা যাবে।

সরকারের মূল লক্ষ্য

সরকারের প্রধান লক্ষ্য সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বিদ্যুৎ ও সময়ের অপচয় রোধ করাও সরকারের অন্যতম উদ্দেশ্য। ট্রাফিক আইন কঠোর করার মাধ্যমে দুর্ঘটনা এড়ানোর পাশাপাশি দেশের পরিবহন ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও সুরক্ষিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এজন্য, সকল গাড়িচালককে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে। নিরাপদ ড্রাইভিং নিশ্চিত করা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং সমগ্র দেশের সড়ক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, নতুন নিয়ম সম্পর্কে সচেতন হন, নিয়ম মেনে গাড়ি চালান এবং আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স সুরক্ষিত রাখুন।

অবশ্যই পড়ুন। Taslima Nasrin: ‘ইসলাম আমার ধর্ম নয়..’,’ আমাকে ইদ মুবারক জানাবেন না’, সাফ বার্তা তসলিমা নাসরিনের